আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
প্রকাশ:১৮:৩৩,১ নভেম্বর ২০২৬
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরে নতুন করে জাতিগত সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। পৃথক দুটি ঘটনায় কুকি সম্প্রদায়ের অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন শনিবার নোনি জেলায় সশস্ত্র ব্যক্তিদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় প্রাণ হারান। অন্যদিকে, নিখোঁজ হওয়ার কয়েক দিন পর রোববার ক্যাংপোকপি জেলা থেকে আরও দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এসব ঘটনায় রাজ্যটিতে নতুন করে উত্তেজনা ও নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
রোববার (১ নভেম্বর) মণিপুর রাজ্য পুলিশের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।
পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শনিবার নোনি জেলায় অজ্ঞাতপরিচয় সশস্ত্র ব্যক্তিদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে কুকি সম্প্রদায়ের তিন সদস্য নিহত হন। এ ছাড়া চলতি সপ্তাহের শুরুতে নিখোঁজ হওয়া একই সম্প্রদায়ের আরও দুই ব্যক্তির মরদেহ রোববার সকালে ক্যাংপোকপি জেলা থেকে উদ্ধার করা হয়। নিরাপত্তা বাহিনীর তল্লাশি অভিযানের সময় তাঁদের মরদেহ পাওয়া যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে, কুকি জনগোষ্ঠীর মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা মণিপুরের একটি সংগঠন এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য নাগা বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করেছে। সংগঠনটির অভিযোগ, নিজেদের আদি ভূমিতে কুকি সম্প্রদায়ের সদস্যদের লক্ষ্য করে বিনা উসকানিতে হামলা চালানো হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষগুলোর কোনো বক্তব্য প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।
নতুন করে প্রাণহানির ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটেছে, যখন কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে কুকি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাতিলের দাবিতে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ চলছে। রাজধানী ইম্ফলসহ বিভিন্ন স্থানে হাজার হাজার মানুষ এসব বিক্ষোভে অংশ নিচ্ছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মণিপুরে কুকি ও নাগা জনগোষ্ঠীর মধ্যে জাতিগত ভূমির দাবি ও বিভিন্ন ইস্যুতে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে কুকি সম্প্রদায়ের কয়েকজন সদস্যের হাতে এক নাগা ব্যক্তি লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরবর্তী সময়ে গত মে মাসে নাগা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হাতে তিন কুকি যাজক নিহত হন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এসব ঘটনার পর দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অপহরণ ও হত্যার ঘটনা ঘটে।
এর আগে ২০২৩ সালের মে মাস থেকে সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও চাকরির কোটাসংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে মণিপুরে মেইতেই ও কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘাত শুরু হয়। দীর্ঘদিন ধরে চলা ওই সহিংসতায় ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষ, যাঁদের অনেকে এখনো বিভিন্ন অস্থায়ী আশ্রয়শিবিরে বসবাস করছেন।
কুকি ও নাগা সম্প্রদায়ের মধ্যে সাম্প্রতিক সহিংসতা মণিপুরের বিদ্যমান সংকটকে আরও জটিল করে তুলেছে। ধারাবাহিক সংঘাত ও প্রাণহানির ঘটনায় রাজ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা, জাতিগত সম্প্রীতি ফিরিয়ে আনা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জোরালো হচ্ছে।
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরে নতুন করে জাতিগত সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। পৃথক দুটি ঘটনায় কুকি সম্প্রদায়ের অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন শনিবার নোনি জেলায় সশস্ত্র ব্যক্তিদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় প্রাণ হারান। অন্যদিকে, নিখোঁজ হওয়ার কয়েক দিন পর রোববার ক্যাংপোকপি জেলা থেকে আরও দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এসব ঘটনায় রাজ্যটিতে নতুন করে উত্তেজনা ও নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
রোববার (১ নভেম্বর) মণিপুর রাজ্য পুলিশের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।
পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শনিবার নোনি জেলায় অজ্ঞাতপরিচয় সশস্ত্র ব্যক্তিদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে কুকি সম্প্রদায়ের তিন সদস্য নিহত হন। এ ছাড়া চলতি সপ্তাহের শুরুতে নিখোঁজ হওয়া একই সম্প্রদায়ের আরও দুই ব্যক্তির মরদেহ রোববার সকালে ক্যাংপোকপি জেলা থেকে উদ্ধার করা হয়। নিরাপত্তা বাহিনীর তল্লাশি অভিযানের সময় তাঁদের মরদেহ পাওয়া যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে, কুকি জনগোষ্ঠীর মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা মণিপুরের একটি সংগঠন এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য নাগা বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করেছে। সংগঠনটির অভিযোগ, নিজেদের আদি ভূমিতে কুকি সম্প্রদায়ের সদস্যদের লক্ষ্য করে বিনা উসকানিতে হামলা চালানো হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষগুলোর কোনো বক্তব্য প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।
নতুন করে প্রাণহানির ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটেছে, যখন কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে কুকি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাতিলের দাবিতে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ চলছে। রাজধানী ইম্ফলসহ বিভিন্ন স্থানে হাজার হাজার মানুষ এসব বিক্ষোভে অংশ নিচ্ছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মণিপুরে কুকি ও নাগা জনগোষ্ঠীর মধ্যে জাতিগত ভূমির দাবি ও বিভিন্ন ইস্যুতে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে কুকি সম্প্রদায়ের কয়েকজন সদস্যের হাতে এক নাগা ব্যক্তি লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরবর্তী সময়ে গত মে মাসে নাগা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হাতে তিন কুকি যাজক নিহত হন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এসব ঘটনার পর দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অপহরণ ও হত্যার ঘটনা ঘটে।
এর আগে ২০২৩ সালের মে মাস থেকে সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও চাকরির কোটাসংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে মণিপুরে মেইতেই ও কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘাত শুরু হয়। দীর্ঘদিন ধরে চলা ওই সহিংসতায় ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষ, যাঁদের অনেকে এখনো বিভিন্ন অস্থায়ী আশ্রয়শিবিরে বসবাস করছেন।
কুকি ও নাগা সম্প্রদায়ের মধ্যে সাম্প্রতিক সহিংসতা মণিপুরের বিদ্যমান সংকটকে আরও জটিল করে তুলেছে। ধারাবাহিক সংঘাত ও প্রাণহানির ঘটনায় রাজ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা, জাতিগত সম্প্রীতি ফিরিয়ে আনা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জোরালো হচ্ছে।